'বাংলায় অনুবাদ Pdf (বিশাল কালেকশন) - Bangla Translated Pdf Onubad All booksআত্ম উন্নয়নমূলক বই PDF (All)আত্মজীবনীমূলক বই PDF (All)

লাইফ অব পাই ইয়ান মার্টেল Pdf Download || Life of Pi Yann Martel Pdf book

লাইফ অব পাই অনুবাদ – Life of Pi Bangla Translated Pdf free Download

বইয়ের নাম: লাইফ অব পাই (Life of Pi)
লেখকের নাম: ইয়ান মার্টেল (Yann Martel)
অনুবাদক: Shibbrato Bharman
ক্যাটাগরি: Adventure, Fantasy, Fiction
ফাইল ফরম্যাট: Pdf
File সাইজ: ১৫ এম্বি
১ম প্রকাশ: ২০১৫ সাল

লাইফ অব পাই অনুবাদ বই রিভিউ:

লাইফ অফ পাই নিয়ে পরবর্তীতে ২০১২ সালে একটি মুভি নির্মিত হয়,  যেটি আমার খুব পছন্দের মুভি গুলোর একটি।
গল্পের প্রধান চরিত্রের নাম পাই পাটেল। পাই এর বয়স ষোল বছর। এ কিশোর ছেলে যার জন্ম ভারতে । সে প্রতিটি ধর্মের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোনো একটির প্রতি তার বিশ্বাস ছিল না । তার বাবার ছিল ছোট একটা চিড়িয়াখানা । ব্যবসায় সুবিধা না করতে পারায় তার বাবা অন্যত্র চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ।  তারা সপরিবারে কানাডায় চলে যাওয়ার জন্য জাহাজ ভাড়া করেন । সঙ্গে নেন চিড়িয়াখানার প্রাণীদের । কিন্তু হঠাৎ সমুদ্রে ঝড় ওঠে এবং জাহাজ ডুবে যায় । শুধু বেঁচে থাকে পাই,  একটি জেব্রা, হায়েনা, ওরাংওটাং এবং গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র রিচার্ড পারকার (রয়েল বেঙ্গল টাইগার )।
প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে ছাব্বিশ ফুট লম্বা নৌকায় শেষ পর্যন্ত জীবিত থাকে পাই আর রিচার্ড পারকার । একটা মানুষখেকো বাঘের সাথে 227 দিন লড়াই করে টিকে থাকা , অপর্যাপ্ত খাবার, বিশাল জনমানবশূন্য সমুদ্র, সমুদ্রের শার্ক সবকিছু মিলিয়ে দুর্দান্ত ও ভয়ানক সময় পার করেন পাই । এসবের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে পাইয়ের জীবনে । সে বিশ্বাসী হয়ে উঠে । বেঁচে ফেরাতে সে সর্বশক্তিমান এর উপর আস্থা ফিরে পায় । ধর্মীয় বেড়াজালে আবদ্ধ না থেকে সত্য উপলব্ধি করতে পারে ।
এই বইটি মূলত কল্পকাহিনী হলেও আডভেঞ্চার , থ্রিলারে ভরপুর । এটি আন্তর্জাতিক বেস্টসেলার এবং ম্যান বুকার পুরস্কার প্রাপ্ত একটি বই । বর্তমানে এটির ছবিও রয়েছে ।

Life of pi Pdf book মুভির কাহিনী:

Life of pi মুভিটির শুরুটা হয় মূলত মনোলগ বা স্টোরি টেলিং লগ দিয়ে। গল্পকার ও প্রধান চরিত্র ইরফান খান (প্রাপ্তবয়স্ক পাই) তার একজন লেখক বন্ধুকে তার জীবনের একটি গল্প বলছে। লেখক বন্ধুটি একটা উপন্যাসে হাত দেয়। কিন্তু বেশীদূর এগোতে পারে না। কিছু অংশ লিখে ক্ষান্ত দেয়। তখন সে ঘটনাক্রমে পাই এর কাছে আছে নতুন একটি গল্পের খোজেঁ। পাই পাতেল গল্প বলা শুরু করে। তার জীবনের সেরা এবং একমাত্র গল্প! লেখক বন্ধু অবাক-বিস্মিত শ্রোতা হয়।

লাইফ অফ পাই মুভি প্লট/বিশ্লেষন:
ঘটনার মূল পটভূমি ১৯৫৪ সালের যখন সবেমাত্র ফরাসিরা ভারতের পন্ডিচেরী অংশটা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে। পাই পাতেল একটা ১৬ বছরের কিশোর যে কিনা সেই পন্ডিচেরীতে জন্মগ্রহন করেছে। তার জন্ম এবঙ বেড়ে ওঠা দুটোই হয় তার ব্যবসায়ী বাবার মালিকানাধীন একটা চিড়িয়াখানায়। মুভির একটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র, রিচার্ড পারকার, আদতে একটা রয়েল বেঙ্গল টাইগার, তার সাথে প্রথম পরিচয় হয় তার বাবার চিড়িয়াখানাতেই।
পাই ছোটবেলা থেকেই প্রচন্ড আস্তিক একজন মানুষ হিসেবে বড় হয়। সে হিন্দু, ইসলাম এবং ক্রিশ্চানিটি – তিনটা ধর্মেই একসাথে পালন করে। সে পুজো দেয়, সে নামায পড়ে, সে চার্চে যায়। জীবনের প্রখরবোধ তাকে স্রষ্টার উপর অবিচল আস্তা রাখতে শেখায় যা কিনা তার জীবন বাচিঁয়ে দেয়।
সরকারের সাথে একটা ঝামেলা হবার কারনে পাই এর বাবা কানাডাতে পাড়ি জমাতে চায় সপরিবারে। তার আগে বিক্রি করে দেয় বসতবাড়ি, ব্যবসা আর চিড়িয়াখানাটা। নিজের বলতে থাকে শুধু চিড়িয়াখানার জন্তুগুলো। সে সব সে একে একে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের চিড়িয়াখানাকে বিক্রি করে দেবার চেষ্টা করে।
পাই তার বাবা-মা ও এক বড় ভাইকে নিয়ে পাড়ি জমায় জাপানিজ একটা নৌযানে। সেখানে বিট্রিশ এ্যালায় ফরাসিরা যে কি পরিমান রুক্ষ ও দুর্নিবার অভদ্র, কানাডিয়ান পরিচালক সেটা ফুটিয়ে তোলেন রান্নাঘরের পাচক আর পাই এর বাবার কথপকথনের মাধ্যমে।
ইতিমধ্যে একদিন প্রচন্ড এক ঝড় ওঠে সমুদ্রে বুকে। পাই বিছিন্ন হয়ে পড়ে তার পুরো পরিবারের কাছ থেকে। দুর্ঘনটাক্রমে পাই একটা শিপরেক (লাইফবোটের চেয়ে আকারে বড়, অনেকটা আমাদের দেশের ট্রলারের মতো) উঠে পড়ে। সংগী হয় একটা জেব্রা, শিপরেকের তাবুর নীচে লুকিয়ে থাকা একটা হিংস্র হায়েনা, একটা হনুমান আর একটা রয়েল বেঙ্গল টাইগার। মূল সিনেমা বা পাই এর মূল গল্প এখানে থেকেই শুরু হয়। সেটা শেষ হয় টানা ২২৭ দিন সমুদ্রের বুকে অমানুষিক লড়াই করে টিকে থাকার মধ্য দিয়ে। এই লড়াই ছিলো যেমন ক্ষুধা-তৃষ্ণা আর পানির বিরুদ্ধে তেমনি ছিলো নিজের আর তার সাথে থাকা পশুদের বিরুদ্ধেও।পাই’র শিপর্যাক অত্যন্ত নয়নাভিরাম একটা দ্বীপে এসে ভিড়েছে। দ্বীপের মূল বাসিন্দা লাখ লাখ মিরকাত। [এক প্রকার প্রাণী বিশেষ।] কিন্তু দ্বীপটা যে আসলে আস্ত একটা জ্যান্ত কারনিভোরাস।

লাইফ অফ পাই বইয়ের মত মুভিতে যেমন স্টোরি তেমনি অসাধারন এর সংলাপ, মিউজিক, কোরিওগ্রাফি, প্রধান চরিত্রের ম্যাকাপ, সিনেমাটোগ্রাফি।সব কিছুই মনোমুগ্ধকর। আর আমার সব থেকে দারুন লাগেছে যেটা সেটা হলো সেই দ্বীপটা।ওখানে প্রানী গুলো আর রাতে সেই সিন গুলো। যাস্টা অসাধারন ছিলো।এই সব কিছু মিলিয়ে আমার রেটিং ১০।

Life of Pi Onubad book by Yann Martel (পাই এর জীবণ) ডাউনলোড লিংক: Click here

লাইফ অব পাই Pdf

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!