Arif azad All Book pdf Download (New All)Others PDF Books

কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ Pdf Download (আরিফ আজাদ)

কুরআন মাজীদের যতটুকু সম্ভব হিফয করা, সন্তান-সন্ততি ও অধীনস্তদের হিফয করানো এবং সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের মাঝে হিফযে কুরআনের প্রচলন ও ব্যবস্থা করা কুরআন মাজীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হক। বইমেলায় আরিফ আজাদের নতুন বইয়ের নাম হল “কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ। ফরম্যাটঃ pdf (পিডিএফ)। 

সত্যায়ন প্রকাশন থেকে একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারি- ২০২৩ এ প্রকাশিত হবে ইসলামি বইটা।

সূচিপত্র

  • ১. দুঃখের আলপনায় স্বস্তির রং
  • ২. ঝরা পাতার কাব্য
  • ৩. যখন নেমে আসে আঁধারের রাত
  • ৪. ব্যাকুল হৃদয়ের আকুল সঙ্গীত
  • ৫. ছুটে আসে আগুনের ফুলকি
  • ৬. নীল দরিয়ার জলে
  • ৭. এ-সময় শীঘ্রই ফুরিয়ে যাবে
  • ৮. যে আঁধারের রং নীল
  • ৯. আকাশের খাতায় লেখা লজ্জার নাম
  • ১০. ফিরআউন সিনড্রোম
  • ১১. চাঁদে যারা জমি কিনছেন
  • ১২. ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল
  • ১৩. নূহের প্লাবন এবং ভাবনার অলিগলি
  • ১৪. অন্তর মাঝে হিয়ার আলো
  • ১৫. আল্লাহকে যারা পাইতে চায়
  • ১৬. প্রেমময় কথোপকথন
  • ১৭. অন্তরের ব্যাকরণ
  • ১৮. সোনার তোরণ পানে
  • ১৯. প্রবল প্রতাপশালী তবু মহীয়ান
  • ২০. অন্তর মম বিকশিত করো
  • ২১. আলো অথবা অন্ধকার
  • ২২. তারা কভু পথ ভুলে যায় না
  • ২৩. চালাও সে পথে যে পথে তোমার প্রিয়জন গেছে চলি
  • ২৪. জীবনের বেলা শেষে
  • ২৫. অন্তর বাঁচানোর মন্তর
  • ২৬. তোমার প্রতিবেশী করে নিয়ো
  • ২৭. একজন কথা রাখেন
  • ২৮. ভীষণ একলা দিনে

আরিফ আজাদের নতুন বই 2023

কুরআন মাজীদ আল্লাহর কালাম। এ এক জ্ঞান সমুদ্ব। দেড় হাজার বছর আগে কুরআন মাজীদ আরবী ভাষায় যেভাবে নাজিল হয়েছিল ঠিক আজো দুনিয়ায় সেভাবে, সগৌরবে এবং অবিকৃতভাবে টিকে আছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ মহাগ্রন্থ পৃথিবীর মানুষ পড়ছে, তিলাওয়াত করে যাচ্ছে। দেড় হাজার বছর বয়সের মূল ভাষায় লেখা এমন কোনো জীবন্ত গ্রন্থ, দুনিয়ায় আর রয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। তাই কুরআন এক অনন্য মহাগ্রন্থ। এই গ্রন্থ আল্লাহ ফিরিশতাশ্রেষ্ঠ হযরত জিবরাঈলের মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর প্রায় ২৩ বছর ধরে, ধীরে ধীরে নাধিল করেন। ইসলামী জ্ঞানের সব্বোচ্চি উৎস এবং দলিল কুরআন মাজীদ।

কুরআন মাজীদ আরবী ভাষায় নাধিলকৃত এবং লওহে মাহফুজে সুরক্ষিত। আরবী ভাষায় নাধিলকৃত কুরআনই, মূলতঃ কুরআন। বাংলা কুরআন, ইংরেজী কুরআন, উর্দু কুরআন, ফার্সী কুরআন বা অন্য কোন ভাষায় অনুবাদকৃত কুরআন বলতে, কোনো কুরআন নেই। আমরা কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর যে বার্তা, তা অনুধাবন এবং উপলব্ধি করতে তর্জমার আশ্রয় গ্রহণ করে থাকি। কুরআনের অন্তর্নিহিত জ্ঞান, সৌন্দর্য এবং শক্তিমত্তাকে তর্জমার মাধ্যমে পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মানুষ, বিশেষ করে অনারব মানুষেরা তর্জমার মাধ্যমে কুরআনের বার্তার কাছে পৌঁছার চেষ্টা করে এবং এর মর্ম অনুধাবন করে। এ চেষ্টা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে এবং তা চলতেই থাকবে।

কুরআন শব্দটির একটি অর্থ পড়া বা তিলাওয়াত করা। আমাদের মুখ থেকে নিঃসৃত হওয়া যে কুরআনের বাণী, তাকে আমরা সাধারণত কুরআন তিলাওয়াত বলে থাকি। মুখে উচ্চারণ করার সাথে সাথে কুরআনের যে অর্থ তা আমরা যদি হৃদয়ের মধ্যে উপলব্ধি করতে সক্ষম হই, তবেই সেটি হবে সত্যিকারের কুরআন তিলাওয়াত। কুরআন যে দাবী নিয়ে মানুষের জীবনের জন্য নির্দেশিকা হিসেবে এসেছে, তা উপলব্ধি, অনুধাবন এবং আমলের মাধ্যমেই কেবল বথার্থভাবে কুরআন তিলাওয়াতের বা কুরআন পাঠের যে আহ্বান তার হক পূরণ হয়।

একটি কথা আমরা শুনে থাকি, কেউ কেউ বলে থাকেন, এই তর্জমাটি কঠিন ভাষায় লেখা, এ তর্জমাটি বেশী সরল করে লেখা, এই অনুবাদের গাল্ীর্য নেই, ইত্যাদি। এমনও শোনা যায় এ তর্জমাটিতে সঠিক অর্থ প্রতিফলিত হয়নি বা মোটাদাগে ভুল রয়েছে বা বিকৃত অর্থ করা হয়েছে। এসব মানবিক বিচারবুদ্ধির সীমাবদ্ধতা। যা অনেককে ব্যথিত করে বটে। এমনকি বিভ্রান্তির অবকাশও সৃষ্টি করে। এরূপ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে, কুরআন মাজীদের পাঠককে একই সময়ে একাধিক তর্জমা পড়া প্রয়োজন। সে সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে এবং বেশিরভাগ তর্জমার উপর স্থির থাকার জন্য যে তাগিদবোধ, তার প্রতি লক্ষ্য করে এই নির্বাচিত তর্জমাসমগ্র প্রকাশ করার উদ্যোগ নেয়া হলো।

আমাদের উপর কুরআন মাজীদের বহু হক রয়েছে। তারমধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হকসমূহঃ

১. কুরআন মাজীদের প্রতি পরিপূর্ণ উপলব্ধির সাথে ঈমান আনা ।

এ ঈমানের কয়েকটি দিক আছে, যথা-

(ক) বিশ্বাস রাখতে হবে যে, এটা আল্লাহ তা’আলার কালাম যা তিনি তীর রাসূল মুহাম্মাদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি নাধিল করেছেন। এ কিতাব যে আল্লাহ্‌ তা’আলার পক্ষ হতে অবতীর্ণ এবং এর প্রতিটি বাণী সত্য, এবং প্রতিটি শিক্ষা যথার্থ এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। এক উজ্জ্বল আলো যা ছাড়া অন্ধকার থেকে মুক্তির আর কোনো পথ নেই। এই কুরআন এক আসমানী পথনির্দেশ যা ছাড়া বিচ্যুতি ও বিভ্রান্তি থেকে আত্মরক্ষার আর কোনো উপায় নেই। এই কুরআন হল ফুরকীন যা সত্য-মিথ্যা, আলো-অন্ধকার, ন্যায়- অন্যায় ও সুপথ-কুপথের মাঝে পরিষ্কার ‘শীর্থক্যকারী। এতেও কোনও সন্দেহ নেই যে, নাধিলের সময় থেকে আজ অবধি এ কিতাব-যথায়থভাবে সংরক্ষিত আছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। সুতরাং আমরা এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত যে, বর্তমানে গ্রন্থাকারে যে কুরআন আমাদের হাতে আছে, যা সূরা ফাতিহা ছারা শুরু হয়ে সূরা নাস এ সমাপ্ত হয়েছে, এটাই আল্লাহ তাআলার সেই কিতাব যা নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু “আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি নাযিল হয়েছিল এবং এর ভাব ও ভাষা এবং এর বিধান শিক্ষা ও তা পালনের পদ্ধতি, যা কিছু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পালনকর্তার আদেশে উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন সবকিছু হুবহু সংরক্ষিত আছে।

(খে) বিশ্বাস রাখতে হৃবে যে, মানুষের হিদায়াত ও সফলতা কুরআনের প্রতি ঈমান আনার মধ্যেই নিহিত। এ ঈমানের মাধ্যমেই মানুষ তার স্রষ্টা ও প্রতিপালক আল্লাহ তা*আলার সন্তুষ্টি লাভ করতে ও আখেরাতের মুক্তি পেতে পারে। যে ব্যক্তি এ কুরআনকে নিজের দিশারী ও আদর্শ রূপে গ্রহণ করবে দোজাহানের সফলতা কেবল তারই নসীব হবে।

Download লিংক – কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ Pdf link1 link2 Quran theke neya path Online Reading

হাদীস শরীফে কুরআন শেখা ও তার শেখানোর যে তাকীদ আছে তার উপর সাহাবায়ে কেরাম এভাবে আমল করেছেন যে, প্রথমে বারবার শুনে আয়াতটি মুখস্থ করেছেন এরপর তার মর্ম ও বিধান শিক্ষা করেছেন।

এখন আমাদের মাঝে হাফেযের সংখ্যা কম নয়; তবে তুলনা করলে দেখা যাবে, অধিকাংশ মানুষ হিফযে কুরআনের নেয়ামত থেকে বঞ্চিত। এর মৌলিক কারণ তিনটি : প্রথম কারণ তো ঈমানের কমযোরি ও কুরআনের প্রতি মহব্বত ও ভালবাসার অভাব । দ্বিতীয় কারণ এই ভুল ধারণা যে, হাফেয হওয়া শিশুদের কাজ। সুতরাং শৈশবে যদি অভিভাবকরা হিফযখানায় ভর্তি করেন তাহলেই শুধু হাফেয হওয়া যায়; অন্যথায় যায় না। তৃতীয় কারণ এই ভুল ধারণা যে, হয় পূর্ণ কুরআনের হাফেয হও, নতুবা কেবল এতটুকু মুখস্থ কর যে, কোনোমতে নামাযগুলি আদায় করা যার । মাঝামাঝি কোনো সুরত নেই!!

আসলে হিফযের কোনো বয়স নেই। যে কোনো বয়সের মানুষ হিফযে কুরআনের নিয়ত করতে পারে এবং ধীরে ধীরে পূর্ণ কুরআনের হাফেযও হয়ে যেতে পারে। আর পুরা কুরআন হিফয করা সম্ভব না হলেও শুধু নামায আদায়ের পরিমাণে সন্তষ্ট থাকা উচিত নয়; বরং যত
বেশি সম্ভব হিফয করতে থাকাই হল মুমিনের শান ও সৌভাগ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!